google

Search results

Wednesday, January 29, 2020

ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধে আঘাত -জবাবে শেখ হাসিনা

ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধে আঘাত করে- এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার সবসময় সতর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৯ জানুয়ারি, বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির (জাপা) মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রাঙ্গা তার প্রশ্নে ঢাকার মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেয়েদের ওড়না পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে- এমন দাবি করে এর বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওই অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। মেয়েদের ওড়না পরা নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডিও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।’
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, স্বার্বভৌম ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। বর্তমান সরকার ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও অন্য সব ধর্মের চেতনা ও মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর।’
জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জননিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার সর্বাত্মক উদ্যোগ ও সুদৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে। দুর্নীতি, মাদক নির্মূল ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের মাধ্যমে আমাদের অভিলক্ষ্য হলো- নিরাপদ জীবন ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গঠন। সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও মাদক নির্মূলে পুলিশ বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’
সরকারি দলের মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকারের নানামুখী শ্রম-কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছর গড়ে ৭ থেকে ৮ লাখ কর্মী বিদেশ যাচ্ছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৬৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৪ জনের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫৩ দশমিক ১৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।’ 
সরকারি দলের আহসানুল ইসলামের (টিটু) সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই ছাত্রছাত্রীরা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই হাতে-কলমে কাজ শিখবে। আর এ লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। এজন্য আমরা স্কুল থেকেই নির্দিষ্ট বিষয়গুলোতে প্রশিক্ষণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে আমরা শিক্ষাকে ঢেলে সাজাচ্ছি।                                                                                                                                                                                                                                                                                                                             

Thursday, January 23, 2020

আহ্বান ভিপি নুরুলের ছাত্রলীগের ‘বেপরোয়া ও লাগামহীন গতি’ টেনে ধরতে

 

চার শিক্ষার্থী নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাবিতে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্যের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল । টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ২৩ জানুয়ারি। ছবি: হাসান রাজাঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) নুরুল হক বলেছেন,‘ছাত্রলীগকে দিয়ে দুঃশাসন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে গণজাগরণ ও গণসচেতনতাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। ছাত্রলীগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে আপনাদের কপাল ভালো, অন্যথায় ছাত্রলীগই আপনাদের গদি ছাড়ার কারণ হবে।’ সময় থাকতে ছাত্রলীগের ‘বেপরোয়া ও লাগামহীন গতি’ টেনে ধরতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সমাবেশে ডাকসু ভিপি নুরুল হক এসব কথা বলেন৷ গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের চার ছাত্রকে রাতভর নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রক্টরের পদত্যাগসহ ৪ দফা দাবি এবং ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার দুই বছর পূর্তি স্মরণে ১২ ছাত্রসংগঠনের জোট সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্যের ব্যানারে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিলের আগে এই সমাবেশ করা হয়৷
সমাবেশে ডাকসুর ভিপি নুরুল হক অভিযোগ করেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্রলীগের অপকর্মের সহযোগীর ভূমিকা পালন করে। হলগুলো থেকে অছাত্র-বহিরাগত উচ্ছেদে দীর্ঘদিন প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছি, আলোচনা করেছি। কিন্তু আজ পর্যন্ত প্রশাসন কিছুই করেনি।’
ভিপি নুরুল বলেন, ‘অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে। ঘটনা ঘটার পর গণমাধ্যমসহ সর্বত্র আলোচনা তৈরি হয়, প্রশাসন লোকদেখানো তদন্ত কমিটি করে, সেই তদন্ত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আলোর মুখ দেখে না। ছাত্রলীগ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে দাসপ্রথা কায়েম করেছে। ছাত্রলীগের প্রোগ্রাম করলে হলে থাকা যায়, প্রোগ্রাম না করলে থাকা যায় না—এই দাসপ্রথা সরকার পরিবর্তন হলেও নতুন যারা আসবে তাদের ছাত্রসংগঠনও হয়তো চালু রাখবে।’
শিক্ষার্থীদের মুক্তভাবে মতপ্রকাশ ও মুক্ত জ্ঞানচর্চার পথে ছাত্রলীগ প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে—এমন মন্তব্য করে সরকারের উদ্দেশে ভিপি নুরুল বলেন, ‘আপনারা যদি ভেবে থাকেন যে আপনাদের সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে দিয়ে ছাত্রসমাজকে থামিয়ে দেবেন, স্বৈরাচারী শাসন দীর্ঘায়িত করার জন্য ছাত্রসমাজকে নিশ্চুপ রাখবেন, আপনারা ভুল করবেন।’
সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্যের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে ‘জঘন্যতম ও ব্যর্থতম’ প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম গোলাম রব্বানীর পদত্যাগ, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলে বৈধ সিট দেওয়া ও অছাত্র-বহিরাগত বিতাড়ন করে হলগুলোতে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস-দখলদারি বন্ধ করা, ২২ ডিসেম্বর ডাকসু ভবনে ছাত্রলীগ-মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের হামলা-ভাঙচুর ও গত মঙ্গলবার রাতে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবন বহিষ্কার এবং নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে গত মঙ্গলবারের নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরে সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্যের নেতা নুরুল হক বলেন, জহুরুল হক হলের চারজন শিক্ষার্থীকে মেরে রক্তাক্ত করে হল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকানা প্রশাসনের প্রক্টরিয়াল বডির মাধ্যমে ছাত্রলীগ থানায় দিয়েছে৷ ওই চার ছাত্রের কোনো অপরাধ ছিল না। ছাত্রলীগ তাঁদের মারল আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁদের থানায় দিল।
নুরুল বলেন, ‘ছাত্রলীগ বলেছে, ওই চার ছাত্রশিবির করে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে আমরা জানতে পেরেছি যে ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিং-প্রোগ্রামে নেতারা ক্যাম্পাসে র‌্যাকেট খেলেন, চা খান, সেই প্রটোকলে না আসায় শিবির অজুহাত দেখিয়ে তাঁদেরকে অমানবিকভাবে মারধর করেছে। ছাত্রলীগ যে ভিন্নমতের শিক্ষার্থীদের ওপর বিভিন্ন সময়ে হামলা চালায়, নানা অপবাদ দিয়ে মারধর করে, এটি নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিছুদিন আগে বুয়েটের ছাত্র আবরারকে তো তারা মেরেই ফেলল! ডাকসুর নির্বাচিত ভিপি হয়েও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হাতে গত ২২ ডিসেম্বর আমিসহ প্রায় ২৪ জন শিক্ষার্থী হামলার শিকার হয়েছি। ফলে ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। স্বৈরাচারী সরকারকে টেকানোর জন্য, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ বন্ধ করার জন্য, ছাত্র আন্দোলন দমনের জন্য শিক্ষাঙ্গনগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে ছাত্রলীগ একটি সন্ত্রাসী সংগঠন ও সরকারের একটি পেটোয়া বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্ক্সবাদী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে ভিপি নুরুলের সংগঠন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেতা নাসির উদ্দীন প্রিন্সসহ সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্যভুক্ত বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশের পর ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

Saturday, January 18, 2020

গাজিপুর এর কালিয়াকৈর থানায় ফকির কেশা পাগলার মাজার নাকি গাজার আসর ।

দৃষ্টিকোণঃ
গাজিপুর এর কালিয়াকৈর থানায় ফকির কেশা পাগলার মাজার ।ফকির কেশা  গাঁজা খেতেন কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে কেউ বলেনি এখনো। 

তপস্যার চার পথ-- স্থূল, পর্বত, ছাতক ও সিদ্ধি। গুরুর নামে যখন গাঁজা খাওয়া হয়, তখন সেটা সিদ্ধি আর এমনি এমনি খেলে তা নেশা করা, পাগলামি। জানান, রাজবাড়ি  থানার বরাট থেকে কেসা পাগলার  স্মরণোৎসবে যোগ দেয়া  রবি পাগল। 

সিদ্ধিতে লম্বা টান দিলেন রবি পাগল। বললেন, সিদ্ধি হচ্ছে আত্মার খোরাক। দেহের ভেতর আত্মা রাজা। সে খায় গাঁজা। যে গুরুর তরিকত করে সিদ্ধি খায়, সিদ্ধি সেবা করে সে। গুরুর নামে খেলে এটা সিদ্ধি, নাইলে গাঁজা।

কেসা পাগলার গাঁজা খাওয়া বেশ সাধারণ ব্যাপার। তবে সকলেই গাঁজা খায় না। কেসা পাগলার ভক্তদের একটি তরিকার লোকই গাঁজায় অভ্যস্ত। সাধকদের খুব কম জনকেই তামাক ব্যবহার করতে দেখা গেছে। এমন সাধু সন্নাসী রয়েছেন যারা তামাকের গন্ধও সহ্য করতে পারেন না। এসব পছন্দও করেন না।

তবে কেসাপাগলার  আখড়া এলাকায় স্মরণো‍ৎসবের এই সময়টায় এখন গাঁজার গন্ধ ছাড়া এতটুকু জায়গা পাওয়া দুস্কর। তবে এখানে গাঁজা বিক্রি হয় না, ভক্তদের ছোট ছোট আসরে বসে খেয়ে যেতে হয়।সম্মুখে বিক্রি না হলে ও প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ টাকার মাদক বিক্রি হয় এখানে ।

কেসা অনুসারীদের মধ্যে সাধু ও বাউলদের মধ্যে গাঁজার ব্যবহার কম থাকলেও, চিশতিয়া তরিকতের  যে পাগল দল রয়েছে এরা সকলেই গাঁজার ভক্ত।

পাগলদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এরা সকলেই লাল কাপড় ব্যবহার করেন। বড় দাড়ি, অনেকের জটা চুল, ময়লা শরীর, গলায় পাথর ঝোলানো, বড় মালা ইত্যাদি। হাতে থাকে লাঠি বা এমন কিছু, যেটা দৈব শক্তি প্রকাশ করে।

তপস্যার সঙ্গে গাঁজার সম্পর্ক নিয়ে কথা হয়, আবু সাঈদ চিশতিয়া, ওমর ফারুক পাগল ও রবি পাগলের সঙ্গে। জানালেন, গাঁজা খাওয়ার জন্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কলকি। এগুলোকে বলা হয় বাঁশি। রয়েছে, কৃষ্ণ বাঁশি, নাগিনী বাঁশি, শঙ্খ বাঁশি, বিচ্চু বাঁশি, গণেশ বাঁশি, মেগনেট বাঁশি ও সাধারন বাঁশি। কারুকার্য, বানানোর নিপুণতার দিক দিয়ে বাঁশির দাম ১০টাকা থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত হয় বলে জানালেন তারা। তবে সবচেয়ে বেশি চলে কৃষ্ণ বাঁশিই। দেশের সবচেয়ে ভাল বাশি বানানো হয় বগুড়া এবং টাঙ্গাইলে।

বাংলাদেশে গাঁজার তামাকের মধ্যেও রয়েছে পার্থক্য। কুষ্টিয়ার তামাক বেশ ভাল। রংপুর, বগুড়া, ঝিনাইদহের তামাকও ভালো মানের। তবে ঢাকায় যে তামাক পাওয়া যায়, সেগুলোতে বেশিরভাগই ভেজাল থাকে বলে জানান এই পাগল ভক্তরা। দেশের বাইরের পাকিস্তানের তামাকের বেশ নাম রয়েছে। এছাড়াও নেপালের একটি তামাক রয়েছে যা শীতকালে খেতে বেশ ভাল হয়।

আবু সাঈদের তরিকতের টাইটেল ‘চিশতিয়া’। বর্তমানে ব্রা²ণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে থাকেন বৌ ছেলে নিয়ে। ১৪ বছর বয়সে জন্মস্থান রংপুর ছাড়ার পর আর যাওয়া হয়নি।

কেসা ভক্তির সঙ্গে গাঁজার সম্পর্ক কী জানেন না এই পাগল। বলেন, কেসা যেমন পাগল, মন নিয়ে খেলাধুলা করেছেন, আমরাও খেলি। নিজেদের নিয়ে, ভব নিয়ে। লালনের সঙ্গে প্রেম করি। প্রেমে মত্ম, প্রেমের পাগল।

ছোট বেলা থেকেই সৃষ্টি আর স্রষ্টা নিয়ে ভাব জাগে সাঈদ চিশতিয়ার মনে। সত্যের সন্ধান খুঁজতে থাকে মন। ¯^প্নে দেখা মেলে গুরু অবয়বের। ১৩ বছর বয়সে ভারতের কনিয়াম্বরীতে গেলে দেখা মেলে সে গুরুর। হযরত সাবির পীর আলাউদ্দিন। গুরুর সামনে যেয়ে তওবা করে মুরিদ হই তার। বয়স বাড়লে দেশে আসি।

সাঈদ চিশতিয়া জানালেন, পাগলদের তরিকত আছে ৪টি। খাজা মঈনউদ্দিন ওরফে চিশতিয়া, বড় পীর সাব ওরফে কাদেরিয়া, হযরত শাহজালাল ওরফে নকশাবন্দি এবং বোয়ালিকান্দার ওরফে মোজাদ্দিয়া। এ চার তরিকতের পাগলদের মধ্যে আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে। তবে সব পাগলই ভাই ভাই।

সাঈদ বললেন, এখন কিছু শয়তান আছে যারা পাগল না, ভান ধইরা থাকে, টাউটারি করে। আমরা দেখলে বুঝে যাই। এরা আমাদের সামনে আসে না।

গাঁজার সঙ্গে তপস্যার সর্ম্পকের ব্যাপারে মনা পাগল আরো বলেন, ভজে জয় গুরু পাগলচাঁদ/ অদ্বৈত মহাপ্রভু/ শক্তি মাথা ভারতি/ মাথা বিদায় গমনে/ গুরু ভ্রম্যচারী সিদ্ধোস্তী/ ভ্রম্য বিশ্ব মহেশ্বর/ শিবলিঙ্গু কৃষ্ণকালি/ ঈশ্বর মহাপ্রভু, চরণে ভক্তি করলাম/ ধরায় অধ্যন্ত সিধান্তু/ পাগল অদ্বৈত সিধান্ত/ পাগলচান অদ্বৈত/ রুপাটে শ্রী-পটে...

তিনি বলেন, ধর্ম হলো সত্য, মিথ্যা হলো পাপ। মানুষের কিছিম দু’টা। হুঁশ আর বেঁহুশ। বেহুঁশরে বন্দেগিরিতে সাধন ভোজন, প্রার্থণা নাই, আরাধনা নাই। এসব বেহুঁশ খরচ করে ভোজন করুক না কেন, কোন মজুরি পাবে না। যার হুঁশ আছে তার সব আছে, ধর্ম আছে। যে সিদ্ধি সেবা করে সে হুঁশে আছে।

পাগল দৈব শক্তির ভক্ত। শক্তিতে ভক্তি, সিদ্ধিতে মুক্তি।

বললেন, লাইনও আছে ৪টি, হকিকত, তরিকত, মারেফত আর  শরিয়ত। আমরা তরিকতে আছি।

১৬/১৭ বছর বয়স থেকেই ব্রক্ষচারী মনা পাগল। কার ঘরে জন্ম নিয়েছেন তিনি জানেন না। ছোট বেলায় মা ডাস্টবিনে ফেলে যায়। পরে সেখান থেকে রাজবাড়ী  নিয়ে যায় এক বুড়ি। তাকে নানী বলেই ডাকত।

বলেন, বাঁচার কথা ছিল না। সারা শরীরে পুঁজ হইছিল। জন্মের সময় নানী যখন নাকি পাইছিল, সব অঙ্গও ছিল না আমার। এতো কষ্টের পরও ঈশ্বর আমারে বাচায়া তুলে।

ছোট কাল থেকেই ঈশ্বর খোঁজার চিন্তা আসে। কে বানাইছে চন্দ্র, সূর্য। ১২ ঘণ্টা পরপর পরিবর্তন হয়।

নদীর পাড়ে মহিলারা বাসন কোসন ধুতে যেয়ে এঁটো পানি ফেলত। একদিন এক পাগল এসে সে পানি খাচ্ছিল। ভাত খুইটা খুইটা খাচ্ছিল। সকলে অবাক হয়। আমি হই না। মনে হইছিল অন্য কোনো দেশের লোক উনি। আমার মতো না। কিন্তু ঈশ্বরের কোন ছাপ আমি তার মুখে পাই না।

বয়স যখন ১৬ বা ১৭ বছর। সেদিন দেশে হ্যাঁ/না ভোট হচ্ছিল। আমি তখন নয়াপাড়া স্টেশনে, ২ বন্ধু আইসা বলল, তমালতলায় এক পাগল আছে চল। গেলাম, তানারে দেইখ্যা মনে হইল সারা পৃথিবী উনার মুখের মধ্যে। মনে হলো উনিই গুণিগুরু, দয়াল মুর্শিদ।

নিজে নিজে বলে উঠলেন মনা পাগল, ভক্তই আমার মাতা/ ভক্তই আমার পিতা/ ভক্তই আমার নাম রেখেছে কল্প তরুলতা...

সেই প্রথম সিদ্ধি সেবন করেন রবি । এরপর থেকেই পাগল অদ্বৈত সিদ্ধান্ত কৃষ্ণ করিম বালা’র মুরিদ হয়ে যান মনা। এ গুরুই মনাকে জানিয়েছেন লালণ ভক্তির কথা।

মনা পাগল বলেন, আমার গুরুই আমাকে দিয়েছে লালন।

আত্মাকে খুঁজে পেতে সুবিধা হয় সিদ্ধি সেবনে। বলেন, নিজের দেহের ভেতর রয়েছে ৬টি আত্মা। ভূত আত্মা, পেত্নী আত্মা, জীব আত্মা, পরমাত্মা, দেবাত্মা এবং আত্মা অমেশ্বর। নিজের আত্মা খুঁজে পেতে হবে। আরো রয়েছে ১০টি ইন্দ্র আর ৬টি রিপু। এগুলোর কোনটার কি খাসরত (¯^ভাব) সেটিও জানতে হবে। জানতে হবে দৈব শক্তি, চিনতে হবে সত্য পথ।

পাগলের তাঁবুর পেছন থেকে গেয়ে ওঠেন বাউল—
তিন পাগলে হলো মেলা
ন’দে এসে
তোরা কেউ যাসনে ও পাগলের কাছে।

ব্যাখা করেন পাবনার বাউল মোতালেব শাহ্ ফকির। বলেন, লোভ, দ্বেষ, মোহ হলো তিন পাগল। আর এই তিন পাগলের সহাবস্থানেই দেহে সৃষ্টি সংস্কার। অস্তিত্বের আকার নিভিয়ে দেয়ার জন্য এই তিন পাগল সর্বদাই ব্যস্ত। সাঁইজি লালন তাই এই অজ্ঞানী, অধ্যানী ও বিকার দেহ মনের পাগলদের নিকট না যাওয়ার জন্য সাবধান করেছেন। আল্লাহ্‌ জাগ্রত হচ্ছে না আর অবিকল জাতের সাথে একাকার না হওয়ায় তৈরি হচ্ছে অজাত, বেজাত। পাগলের ¯^ভাব, আচরণ ও ব্যবহার সম্পূর্ন আসক্তির মধ্যে বন্দি। তাই সবার আগে ইন্দ্রীয় দ্বার দিয়েই খালি বা শুন্য করতে হবে দেহ মনের সংস্কার। তবেই মিলবে আপন ঈশ্বর, ভগবান বা আল্লাহ্‌কে।

পাগলদের ব্যাপারে তিনি বলেন, পাগল হচ্ছে তিন ধরনের, বায়ুর পাগল, ভবের পাগল আর ভাবের পাগল।

পূজার কারণে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তারিখ পুননির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনের তারিখ ৩০শে জানুয়ারির বদলে পহেলা ফেব্রুয়ারি ২০২০ নির্ধারণ নির্ধারণ করা হয়েছে।
শনিবার বিকালে নির্বাচন কমিশনের একটি বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বৈঠকের পর এই তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা।
গত ২২শে ডিসেম্বর ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
দুই সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনের জন্য ৩০শে জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করা হয়।পরবর্তীতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা আপত্তি তোলেন যে, ৩০ তারিখে সরস্বতী পূজা রয়েছে। সে সময়ে নির্বাচন হলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পূজা উদযাপনে সমস্যা হবে। তারা আপত্তি তোলেন, যেহেতু নির্বাচনের সময় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভোট কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তনের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হলেও, সেটি খারিজ করে দেয়া হয়।
নির্বাচনের সময় পরিবর্তনের দাবিতে আন্দোলন ও অনশন শুরু করে হিন্দু শিক্ষার্থীরা।
এ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও শনিবার বিকালে জরুরি বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন। সেখান থেকেই এই সিদ্ধান্ত এলো।
মেয়র প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবসম্মত?

খাহ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

দৃষ্টিকোণঃ-খাহ্রা ও,মদন খালী, বাড়ৈখালী ইউনিয়ন এর শ্রীনগর উপজেলার, (মুন্সিগন্জ) বিক্রমপুরের অস্তগত ঃএই দুই গ্রামে প্রায় বিশ হাজার মানুষ বসবাস করে,খুব কষ্টের সাথে বলতে হয় এই দুই গ্রামে মানুষের পাশাপাশি প্রায় এক হাজার বন্য বানর বসবাস করে,এখন বানরের অত্যাচারে এই দুই গ্রামের মানুষ সহ অাশে পাশের গ্রামের মানুষ বানরের অত্যাচারে দিশে হারা।অাজ বিকেলে খাহ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এ বাড়ৈখালী ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান হাজী সেলিম তালুকদার সাহেবের সম্নতিতে ও খাহ্রা ৬নং ওয়াডের মেম্বার হাজী এম এ কাসেম সহ এলাকার গন্যমান্য লোক জনের উপস্হিতে এক অালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, কি ভাবে এই বন্য বানরের অত্যাচার থেকে রেহাই পাওয়া যায়,। বিশেষ করে শ্রীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বন্য ও প্রানী সম্পদ অফিসার মহোদর কে এলাকাবাসির পক্ষ থেকে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি অামাদের এই দুইটি গ্রাম কে বন্য বানরের অত্যাচার থেকে রক্ষা করার জন্য।  https://bit.ly/2R4Yb6x
                       

Wednesday, January 15, 2020

পাহাড়ের কোলে এক দৃষ্টিনন্দন স্মৃতিসৌধ

পাহাড়ের পাদদেশে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে বাঁশতলা-হকনগর শহীদ স্মৃতিসৌধ। এটি সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের সীমান্তের একেবারে জিরো পয়েন্টে অবস্থিত এমনিতেই এ জায়গাটি একটি পর্যটন এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানকার পাহাড়ি মনোরম দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমীদের মন কেড়ে নেয়। অধিকন্তু ভারতীয় সীমানার কোল ঘেঁষে বাংলাদেশের জুমগাঁও গারো পাহাড়ের অবস্থান।                                                                                                

এটি অন্তত ২০০ বছরের পুরনো আদিবাসী অধ্যুষিত ছোট এক গ্রাম। প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য অবলোকন করতে প্রতিদিন হাজারও মানুষ এখানে এসে জড়ো হন। জুুমগাঁও গ্রামে আদিবাসী গারো সম্প্রদায়ের প্রায় ২৫টি পরিবারের বসবাস।
এখানকার চারদিকে সবুজের সমারোহ। পড়ন্ত বিকেলে পাখির কলরব এবং বাতাসের মনমাতানো শব্দে প্রাণ জুড়ায়। ছোট ছোট টিলা আর পাহাড়ে সাজানো বিস্তীর্ণ এলাকা যেন মন ছুঁয়ে যায়।
ভারত সীমান্তে পাহাড়ি ঝরনা চোখে পড়ার মতো। হকনগরস্থ মৌলা নদীর ওপর স্লুইসগেটটি বিমোহিত করার মতো একটি জলপ্রবাহ। এখানে ঠাণ্ডা ও শীতল স্বচ্ছ পানিতে সাঁতার কাটলে সহজেই শরীরের ক্লান্তি দূর হবে। স্লুইসগেট ছাড়িয়ে একটু সামনে গেলেই দেখা মিলবে পাহাড় ঘেঁষা কিছুটা ত্রিভুজাকৃতির স্মৃতিসৌধ। এখনাকার আশপাশের পরিবেশ খুবই শান্ত ও মনোরম।
সবুজ পাহাড় আর নীল আকাশের মিতালি দেখে মনে হবে যেন আকাশে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে আছে পাহাড়। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সুউচ্চ পাহাড়ের সমতলে নান্দনিক এই স্মৃতিসৌধ।
মুক্তিযুদ্ধকালীন এলাকাটি ছিল ৫নং সেক্টরের চেলা (বাঁশতলা) সাব-সেক্টরের সদর দফতর। এ সাব-সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন এএস হেলাল উদ্দিন। পরবর্তী সময়ে এখানে ছিলেন লে. আবদুর রউফ, লে. মাহবুব। যুদ্ধ পরিচালনায় তাদের সহযোগিতা করেন এমএনএ আবদুল হক, শহিদ চৌধুরীসহ আরও অনেকে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাঁশতলা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় যারা শহীদ হয়েছেন, এখানেই তাদের সমাহিত করা হয়। স্বাধীনতার পর সামছু মিয়া চৌধুরী এমপির উদ্যোগে এখানকার শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের কবর পাকা করা হয়।
পরবর্তীকালে এসব শহীদের স্মৃতি অম্লান করে রাখার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেলা (বাঁশতলা) সাব-সেক্টর কমান্ডার এএস হেলাল উদ্দিন হকনগর শহীদ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেন।
এটি একটি পর্যটন এলাকা হিসেবে এখন ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। পরবর্তী সময়ে সরকারি অর্থায়নে স্মৃতিসৌধ এলাকায় পর্যটকদের জন্য নির্মাণ করা হয় রেস্টহাউজ, হকনগর কমিউনিটি ক্লিনিক, মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

চেলা (বাঁশতলা) সাব-সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ক্যাপ্টেন আকবর হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী, আবদুল হালিম এবং আবদুল মজিদ ‘বীরপ্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হয়েছেন

Tuesday, January 14, 2020

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরির সুযোগ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অসামরিক ৫৮টি পদে ৪০৬ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। জাগোজবস সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।চাকরির ধরন: স্থায়ী ও অস্থায়ী কাজের ধরন: অসামরিক প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
আবেদনের শেষ সময়: ২০ জানুয়ারি ২০২০
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা (www.army.mil.bd)                                                                                      এর মাধ্যমে আবেদনপত্র ও নিয়োগ সম্পর্কে জানতে পারবেন

ছাত্রলীগ নেতা বহিষ্কার স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

রূপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ধামরাই নিউজ,
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ ও আশুগঞ্জে বিপুল পরিমান ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার হওয়া তারাবো পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান সোহানকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১২ জানুয়ারি রাতে রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আলম সিকদার ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ ভূঁইয়া মাসুম স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে সোহানকে এই বহিষ্কারাদেশ প্রদান করেন।
এর আগে সোহানের বিরুদ্ধে উপজেলার একটি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে দু’দিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর পিতা রূপগঞ্জ থানায় বাদি হয়ে আবু সুফিয়ান সোহানহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরো তিন-চার জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। 
বহিষ্কারাদেশে বলা হয়েছে, রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের আওতাধীন তারাব পৌরসভা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান সোহানকে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হলো।
নবম শ্রেণীর ওই শিক্ষার্থীর কাছ থেকে গন্ধর্বপুর এলাকার বাদল মিয়ার ছেলে তৌসিফ ৫শ' টাকা ধার নেয়। গত ৯ জানুয়ারি দুপুরে শিক্ষার্থী তার পাওনা টাকা ফেরত আনতে গন্ধর্বপুর বাসস্ট্যান্ডে যায়। টাকা নিয়ে ফেরার পথে তৌসিফ, আফজাল, তারাবো পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান সোহান ও তানভীরসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজন তাকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা শিক্ষার্থীকে রূপসী ও কর্নগোপ এলাকার পৃথক দুটি বাড়িতে দুদিন আটকে রেখে আরও কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে শুক্রবার দিবাগত রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় ফেলে রেখে যায়।

১৭ হাজার নিবন্ধনধারী মনে করেন, তাঁরা এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রতারিত হয়েছেন


শিক্ষা মন্ত্রণালয়আড়াই হাজার প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলো। শিক্ষা কার্যক্রমে জমে থাকা একটা জট খুলল। অনেক কাঠখড় পুড়েই তবে খুলল। যদিও অধিকাংশ শিক্ষক এখানে কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই নিয়োগপ্রাপ্ত আছেন। প্রয়োজনীয় ডোনেশন বা অনুদান দিয়ে অনেকের এই নিয়োগপ্রাপ্তি ঘটেছে। নিন্দুকেরা বলেন, এসব নিয়োগ প্রকৃত অর্থে বেকার পুনর্বাসন মাত্র। বেকারত্ব মোচন করাও রাষ্ট্রেরই কর্তব্য। কিন্তু উপযুক্ত শিক্ষা শিক্ষার্থীদের ভাগে কতটা জুটবে, সে আরেক প্রশ্ন। অন্যদিকে প্রয়োজনীয় অনুদান ও যোগাযোগ না থাকায় ১-১২তম ব্যাচের ১৭ হাজার নিবন্ধন সনদধারী শিক্ষকতার পেশায় যুক্ত হতে পারছেন না। তাঁদের ১৬৬টি গ্রুপ বিভিন্ন সময় হাইকোর্টে রিট করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট তাঁর রায়ে ৭টি অনুচ্ছেদে এনটিআরসিএকে একটি গাইড লাইন দেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে এনটিআরসিএ পরবর্তী পরীক্ষাপদ্ধতিতে পরিবর্তন ঘটায়। মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু সংক্ষুব্ধ রিটকারীদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় এনটিআরসিএ রিটকারীদের ব্যাপারে নীরবতা পালন করে যাচ্ছেন। ফলে সংক্ষুব্ধ রিটকারীগণ পুনরায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।
পতি মোহাম্মদ উল্যাহ ও কাজী রেজাউল হকের একটি বেঞ্চ যে ৭টি নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সংক্ষেপে সেগুলো হচ্ছে: নিবন্ধন সনদপ্রাপ্তি সময়সীমা ও বিষয়ভিত্তিক পদশূন্য সাপেক্ষে সনদ প্রদান; ৯০ দিনের মধ্যে সমন্বিত মেধাতালিকা প্রকাশ করা ও সেই মেধাতালিকা অনুসারে উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় শূন্যপদ থাকলে সেখানে নিয়োগ দেওয়া; প্রতিবছর এই মেধাতালিকা হালনাগাদ করা; এনটিআরসিএ সরাসরি নিয়োগের প্রস্তাব পাঠাবে রিটকারী ও অন্যান্য প্রত্যাশী প্রার্থীদের পদ শূন্য সাপেক্ষে জাতীয় মেধাতালিকা অনুসারে সনদ ইস্যু করা এবং নিজ এলাকায় বদলিকে সম্মান জানান; ৬০ দিনের মধ্যে ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক প্রস্তাবিত প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া এবং এর অন্যথা হলে ম্যানেজিং কমিটিকে বিলুপ্ত করা; এবং চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে একটি যথাযথ বয়সসীমা নির্ধারণ করা

 সুখবর দিলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীhttps://www.youtube.com/watch?v=

সংক্ষুব্ধ হিসেবে রিটকারী গ্রুপগুলো বলছে, তাদের সময় মেধাতালিকার ধারাটি না থাকায় এবং শুধু ন্যূনতম ৪০ নম্বরই যোগ্য বিবেচনার মানদণ্ড হওয়ায়, তারা অধিক নম্বরপ্রাপ্তির দিকে নজর দেয়নি। রিটকারী ১৭ হাজার নিবন্ধনধারী মনে করেন, তাঁরা এনটিআরসিএ কর্তৃক প্রতারিত হয়েছেন। অন্যদিকে তাঁদের রিটের কারণেই বিষয়টা একটা শৃঙ্খলার মধ্যে এসেছে। এখন নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থী মাত্রই সরাসরি নিয়োগ পাচ্ছেন। কিন্তু যে নিবন্ধনধারীদের কারণে এনটিআরসিএর শৃঙ্খলায় ফেরা, তাঁরাই আজ দিকহারা।
২.
বেসরকারি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসাগুলোতে ৬৬ হাজারের মতো জাল সনদধারী আছেন বলে প্রচার আছে। দুদকের বিভিন্ন অভিযানে সেই সত্যতাও মিলছে। তাছাড়া নতুন-পুরোনো এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো মিলেও একই সংখ্যা দাঁড়াবে। ফলে একদিকে লাখ লাখ পদ শূন্য থাকছে, অন্যদিকে সনদ বগলে নিয়ে কোর্টের বারান্দায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন ১৭ হাজার মেধাবী।
অতীতে সরকারি বিদ্যালয়ে ‘পুল শিক্ষকে’রা স্থায়ীভাবে নিয়োগ পেয়েছেন, রেজিস্টার্ড স্কুলের শিক্ষকেরা লিখিত পরীক্ষা পাস করেই নিয়োগ পেয়েছেন। সরকারি চাকরির নিয়োগের ক্ষেত্রে এ এক বিরল ঘটনা। কিন্তু ১৭ হাজার রিটকারী নিবন্ধনধারী ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এনটিআরসিএকে নিয়মের মধ্যে আনলেন তাঁরা, কিন্তু নিজেদেরই ঘর আজ অন্ধকার।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) চার নম্বরটি হচ্ছে শিক্ষাবিষয়ক। সেখানে ৭টি সূচক অর্জনের টার্গেট ঠিক করা হয়েছে। প্রথমটি হচ্ছে, ‘আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে সব বালক-বালিকা যাতে ফ্রি, বৈষম্যহীন ও মানসম্মত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা পর্যন্ত সমাপ্ত করতে পারে এবং প্রাসঙ্গিক ও কার্যকর শিখনফলঅর্জন করে, তা নিশ্চিত করা।’ যোগ্য তরুণেরা যখন চাকরির আশায় ছয়-সাত বছর ধরে কোর্টের বারান্দায় ঘুরে বেড়ান, তখন কি টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে?

Sunday, January 12, 2020

স্কুলছাত্রী যৌন নির্যাতনের শিকার

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ ধামরাই নিওজ

নরসিংদীতে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। 

রোববার সন্ধ্যায় নরসিংদী সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের রাজাদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নির্যাতিতা শিশুর পরিবার ও পুলিশ জানায়, সন্ধ্যার পর শিশুটি বাড়ির পাশের দোকান থেকে পিঠা কিনে বাড়ি ফিরছিল। এসময় পার্শ্ববর্তী পলাশ উপজেলার মাঝের চর এলাকার আলামিন শিশুটির মুখ চেপে ধরে। পার্শ্ববর্তী কলাবাগানে নিয়ে যৌন নির্যাতন করে।
এসময় ছাত্রীর চিৎকারে নির্যাতনকারী পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
নরসিংদী সদর হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদুল কবীর জানান, পাশবিক অত্যাচারে মেয়েটির বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সৈয়দুজ্জামান জানান, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটির সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযুক্ত আলামিনকে ধরতে পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম অভিযানে নেমেছে। BANK ASIA


Saturday, January 11, 2020

ব্যাংক এশিয়া স্কুল বাঙ্কিং আফাজ উদ্দিন স্কুল ও কলেজ ।

সাইফুল ইসলামঃ স্কুল ব্যাংকিং সেবা ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেবা। এ সেবার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীর মনে সঞ্চয়ী মনোভাব গড়ে ওঠে। ব্যাংকিং সম্পর্কে ধারণা নিতে পারে।সেই উদ্যোগে আজ থেকে ব্যাংক এশিয়ার ধামরাই ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র পয়েন্ট থেকে চালু করেছে স্কুল ব্যাংকিং।
এ বিষয়ে ধামরাই ইউনিয়ন এর উদ্দগতা মোঃ মুবারক হোসেন বলেন স্কুল ব্যাং কিং এমন একটি সেবা যার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীর মনে সঞ্চয়ী মনোভাব গড়ে উঠে ।আশা করি বঙ্গ কন্যা র ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়াই স্কুল ব্যাংকিং গরুত্ত পূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকার শীর্ষে উঠে আসে ‘এ’ ক্যাটেগরির সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
গত সপ্তাহে ১৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ দর কমে পতনের শীর্ষে উঠে আসে বিবিধ খাতের ‘এ’ ক্যাটেগরির সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয় ১৯ কোটি ২৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকার। গড়ে প্রতিদিন লেনদেন হয় তিন কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকার।
ডিএসইতে সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর এক দশমিক ৮৮ শতাংশ বা এক টাকা ৩০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৬৭ টাকা ৭০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬৬ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে চার লাখ ১৩ হাজার ৬৮৮টি শেয়ার মোট এক হাজার ২৫৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই কোটি ৭৯ লাখ তিন হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৬৬ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬৯ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৪৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৮৭ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ২৩ কোটি ৮৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। কোম্পানির এক কোটি ৯৯ লাখ ৯৬ হাজার ৬০০টি শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩০ দশমিক ৬১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১২ দশমিক শূন্য আট শতাংশ এবং বাকি ৫৭ দশমিক ৩১ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে।
দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড। গত সপ্তাহে ১৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ দর কমে পাট খাতের ‘এ’ ক্যাটেগরির নর্দান জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয় ২২ কোটি ৮৪ লাখ দুই হাজার টাকার। গড়ে প্রতিদিন লেনদেন হয় চার কোটি ৫৬ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকার।
ডিএসইতে সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর সাত দশমিক ৫০ শতাংশ বা ৪৬ টাকা ৯০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৫৭৮ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৫৭৮ টাকা ৫০ পয়সা। দিনজুড়ে ৫৩ হাজার ৪১৭টি শেয়ার মোট ৮৩৬ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর তিন কোটি ৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৫৭৮ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৬২০ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ১৪৮৯ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৫৭৮ টাকা ৫০ পয়সা মধ্যে ওঠানামা করে। ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের কোম্পানিটি ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৩ টাকা ২৯ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা ৩৩ পয়সা। কোম্পানিটি ১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ১০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন দুই কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৫ কোটি ছয় লাখ ৫০ হাজার টাকা। কোম্পানির ২১ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ২১ দশমিক ৮৭ শতাংশ, বাকি ৭৮ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে।
দরপতনের তালিকায় তৃতীয় স্থানে ছিল প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। গত সপ্তাহে ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ দর কমে বিমা খাতের ‘জেড’ ক্যাটেগরির প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয় ১৪ কোটি ৭২ লাখ ৬২ হাজার টাকার।
MD:SAIFUL

Protest Erupts Over Resignation Demand for Headmaster Md. Farhad Hossain at Kailash Chandra High School.

  Kailash Chandra High School Dhamrai Dhaka Bangladesh —  A wave of protests has swept through Kailash Chandra High School, following a con...